সম্পাদকীয় · Read in English

নীরবতারও দায় আছে

শিশু নির্যাতন, ধর্মীয় কর্তৃত্ব এবং জবাবদিহির প্রশ্নে বাংলাদেশের এক অস্বস্তিকর আত্মসমীক্ষা

একটি শিশু যখন একজন শিক্ষককে বিশ্বাস করে, তখন সেই বিশ্বাসের ভিত গড়ে দেন অভিভাবকেরা। শিক্ষকের কাছে পাঠানো মানে শুধু পাঠ্যসূচির দায়িত্ব দেওয়া নয়; শিশুটির নিরাপত্তার একটি অংশও তাঁর হাতে তুলে দেওয়া। সেই দায়িত্বে বিচ্যুতির অভিযোগ উঠলে প্রথমে কী রক্ষা করা হবে—শিশু, না প্রতিষ্ঠানের সম্মান?

আমাদের সামাজিক আলোচনায় এই সরল প্রশ্নটি প্রায়ই হারিয়ে যায়। অভিযোগকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা পরীক্ষা করার নামে শিশুকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়; প্রতিষ্ঠান নিয়ে কথা উঠলে ধর্মীয় অনুভূতির প্রসঙ্গ আসে; পরিবারের নীরবতা কখনো ভয়ের, কখনো সামাজিক চাপের, কখনো দীর্ঘদিনের অভ্যাসের ফল হয়ে দাঁড়ায়। এই অবস্থাকে স্বাভাবিক বলার সুযোগ নেই।

লেবাশধারি কোনো ধর্ম, পোশাক বা জনগোষ্ঠীকে অভিযুক্ত করার উদ্যোগ নয়। এটি এমন একটি প্রশ্ন উন্মুক্ত রাখতে চায়, যা বারবার চাপা পড়ে: শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা প্রাপ্তবয়স্কদের কতটা জবাবদিহির মুখোমুখি করতে প্রস্তুত?

লজ্জার বোঝা কার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই শৈশবের নির্যাতন কিংবা যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা লিখেছেন। কিছু বয়ানে দেখা যায়, ঘটনা জানার পরও পরিবার অভিযুক্ত আত্মীয় বা পরিচিতজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে বাধ্য বোধ করেছে। কারণ, সমাজ ভুক্তভোগীকে বেশি মনে রাখে; অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বদলে শিশুটির ভবিষ্যৎ, বিয়ে অথবা পরিবারের সুনাম নিয়ে বেশি প্রশ্ন তোলে।

এসব ব্যক্তিগত পোস্টের প্রতিটি ঘটনার সত্যতা আমরা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারি না। এগুলো কোনো প্রতিনিধিত্বশীল জরিপও নয়। কিন্তু সামাজিক প্রতিক্রিয়ার একটি উদ্বেগজনক দিক উঠে আসে: যে মানুষটির নিরাপত্তা নষ্ট হয়েছে, লজ্জা তাকেই বহন করতে বলা হয়।

এখানে অভিভাবকদের ভয়কে অস্বীকার করা চলে না। মামলার ঝক্কি, সামাজিক অপবাদ, প্রতিশোধের আশঙ্কা, বিচারব্যবস্থার ওপর অনাস্থা—সবই বাস্তব সমস্যা। কিন্তু সমস্যাগুলো বোঝার অর্থ এ নয় যে, শিশুকে নীরব থাকতে বলা হবে বা তাকে সম্ভাব্য বিপজ্জনক ব্যক্তির সংস্পর্শে আবার পাঠানো হবে।

একজন অভিভাবকের দায়িত্ব প্রথমে সন্তানকে নিরাপদ করা, তারপর শিশুবান্ধব উপায়ে অভিযোগ ও প্রমাণের যথাযথ তদন্ত নিশ্চিত করা। অভিযুক্তকে মারধর কিংবা জনতার হাতে শাস্তি তুলে দেওয়া তার বিকল্প নয়। প্রতিশোধের উত্তেজনা অনেক সময় শিশুর প্রকৃত প্রয়োজন—চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা, নিরাপদ আশ্রয় এবং ন্যায়সংগত বিচার—সবকিছুকে আড়াল করে দেয়।

পবিত্রতার মোড়ক

মাদ্রাসার শিক্ষককে অনেক পরিবার কেবল শিক্ষাদাতা হিসেবে দেখেন না; নৈতিক অভিভাবক হিসেবেও বিশ্বাস করেন। এই বিশ্বাসের পেছনে মেধাবী ও নিষ্ঠাবান অসংখ্য আলেমের শ্রম আছে। তাঁদের অবদান অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই।

কিন্তু একটি পোশাক, উপাধি কিংবা ধর্মীয় পদবি একজন মানুষের আচরণের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। বরং বেশি আস্থা মানে বেশি দায়িত্ব। শিক্ষক যত শ্রদ্ধার আসনে থাকবেন, তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তদন্ত তত বেশি নিরপেক্ষ হওয়া চাই।

মাদ্রাসায় নির্যাতনের খবর এলেই কখনো বলা হয়, স্কুল-কলেজেও তো অপরাধ ঘটে। এই তুলনার মধ্যে একটি সত্য আছে—শিশু নির্যাতন নির্দিষ্ট কোনো ধর্ম বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া সমস্যা নয়। কিন্তু অন্য কোথাও অপরাধ ঘটে বলে এখানে ওঠা অভিযোগের গুরুত্ব কমে না। অন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা কোনো মাদ্রাসার সাফাই হতে পারে না।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত একজন শিক্ষককে কেন্দ্র করে পুরো আলেম সমাজকে অপরাধী বলাও অন্যায়। বিচার হতে হবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, অভিযোগের প্রমাণ এবং আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে। সাধারণীকরণ নিরপরাধকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, আর অন্ধ আত্মপক্ষসমর্থন প্রকৃত অপরাধীকে সুযোগ দেয়।

সংবাদ যা দেখায়

১ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত JusticeMakers Bangladesh in France-এর প্রতিবেদনে জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছেলে শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগসংক্রান্ত ১৩১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে; এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিশু ১৭১ জন। সংস্থার পর্যবেক্ষণে ৭২টি ঘটনার স্থান মাদ্রাসা, যেখানে ১০৯ জন শিশুর তথ্য রয়েছে। ৬৫টি ঘটনায় ৮১ জন মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা এসেছে।

এই তথ্যগুলো ৮২টি সংবাদমাধ্যম এবং যাচাইকৃত অনলাইন তথ্যের পর্যবেক্ষণ থেকে সংকলিত বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। এগুলো আদালতে প্রমাণিত অপরাধের সংখ্যা নয়; জাতীয় অপরাধ-হারের পরিমাপও নয়। অপ্রকাশিত ঘটনার পূর্ণ চিত্র এ ধরনের সংবাদভিত্তিক পর্যবেক্ষণ দিতে পারে না।

তবু প্রশ্নটা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এতগুলো অভিযোগ সংবাদে আসার পরও কোনো প্রতিষ্ঠান কি শুধু নিজস্ব সুনামের যুক্তি দিয়ে দায় এড়িয়ে যেতে পারে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং অভিযোগের পরবর্তী অগ্রগতির হিসাব কোথায়?

সংখ্যাকে কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণার হাতিয়ার করা উচিত নয়। এই সংখ্যা আমাদের জিজ্ঞাসা করতে বাধ্য করে, প্রতিটি অভিযোগের পরে শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কে কী করেছে।

ভয়কে শিক্ষা বলা হয়

শিশুর প্রতি সহিংসতা সম্পর্কে আমাদের পারিবারিক সংস্কৃতির বড় একটি অসুখ আছে। শাসনের নামে চড়, আঘাত, অপমান কিংবা হুমকিকে দীর্ঘদিন 'সামান্য' হিসেবে দেখা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের Multiple Indicator Cluster Survey 2025 অনুযায়ী, এক থেকে চৌদ্দ বছর বয়সী শিশুদের ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ জরিপের আগের এক মাসে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্কদের কাছ থেকে শারীরিক শাস্তি বা মানসিক আগ্রাসনের অভিজ্ঞতা পেয়েছে।

এই পরিসংখ্যান যৌন নির্যাতনের নয়; মাদ্রাসারও নয়। কিন্তু এটি বোঝায়, শিশুদের 'না' বলার অধিকার কত সহজে অস্বীকার করা হয়। বড়রা যা বলবেন, তা মানতে হবে—এই ধারণা এমন এক অসম ক্ষমতার সম্পর্ক তৈরি করতে পারে যেখানে কোনো শিশু নিজের অস্বস্তি প্রকাশ করতে ভয় পায়।

শিশুকে সম্মান করতে শেখানো আর তাকে ভয় দেখিয়ে আজ্ঞাবহ করে তোলা এক নয়। যে শিক্ষক বা অভিভাবক এই পার্থক্য বোঝেন না, তাঁর হাতে শিশুর নিরাপত্তা নাজুক হয়ে পড়ে।

নীরব আলেম, সক্রিয় আলেম

আলেম সমাজের কেউই প্রতিবাদ করছেন না—এমন দাবি করা তথ্যগতভাবে ভুল। দ্য ডেইলি স্টারের ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে জানা যায়, আল-হাইআতুল উলয়া ছয়টি কওমি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন মাদ্রাসাগুলোকে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করা, শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি সক্রিয় রাখা এবং অভিযোগ তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। কার্যকর সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকলে অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিলের সতর্কতাও রয়েছে।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানানো উচিত। তবে ঘোষণার মূল্য তার বাস্তবায়নে। কত মাদ্রাসায় কমিটি হয়েছে? অভিযোগ গ্রহণের দায়িত্বে কারা আছেন? কোনো শিক্ষক অভিযুক্ত হলে তাঁর সহকর্মীরাই কি একমাত্র তদন্তকারী? শিক্ষার্থী বা অভিভাবক নিরাপদে অভিযোগ জানাতে পারেন কি? শিশুকে অভিযুক্তের সংস্পর্শ থেকে সরানো হয় কত দ্রুত?

এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ্য হওয়া দরকার। নৈতিক কর্তৃত্ব শুধু বয়ানের সৌন্দর্য দিয়ে টেকে না। তা টেকে যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস থাকে—অন্যায়কারী নিজের পরিচিতজন হলেও।

যাঁরা ধর্মীয় শিক্ষার সুনাম সত্যিই রক্ষা করতে চান, তাঁদের উচিত ন্যায়সংগত অভিযোগ ব্যবস্থার পক্ষে দাঁড়ানো। সুনাম বাঁচানোর নামে নীরব থাকা দীর্ঘ মেয়াদে সেই সুনামকেই নষ্ট করে।

সংবাদ থেকে বিচার

আরেকটি গুরুতর বিপদ হলো অভিযোগ, গ্রেপ্তার এবং আদালতের দণ্ডাদেশকে এক করে ফেলা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষোভ যতই প্রবল হোক, সংবাদে কারও নাম আসা তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য নয়। মিথ্যা অভিযোগের সম্ভাবনাও বিচারের প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হবে। খালাস বা আপিলে রায় পরিবর্তিত হলে সেই তথ্য একই গুরুত্বে প্রকাশ করতে হবে।

শিশুর পরিচয় রক্ষা করাও জরুরি। শিশু আইন, ২০১৩ শিশুকে শনাক্ত করা যায় এমন তথ্য প্রচারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অপরাধের বিবরণ জানা দরকার হতে পারে; কিন্তু শিশুর ছবি, নাম, বিদ্যালয় বা পারিবারিক বিস্তারিত ছড়িয়ে দিয়ে তাকে আবার জনসমক্ষে অসহায় করা জনস্বার্থ নয়।

এই দুটি নীতি পাশাপাশি থাকতে হবে: অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া এবং অভিযুক্তের ন্যায়বিচারের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখা। কোনোটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি টেকসই হয় না।

সংস্কারের অন্তত শুরু

প্রতিটি আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুসুরক্ষার একটি লিখিত নীতিমালা থাকা উচিত। শিক্ষক নিয়োগ ও আবাসিক তত্ত্বাবধানে দায়িত্বের সীমা নির্ধারিত হতে হবে। পৃথক ও স্বাধীন অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা থাকতে হবে, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রভাব নেই। শিশুদের সহজ ভাষায় জানাতে হবে, অস্বস্তিকর স্পর্শ, ভয়ভীতি কিংবা নির্যাতনের অভিযোগ কার কাছে বলা যায়।

অভিযোগের পর প্রথম কাজ শিশুকে নিরাপদে রাখা, প্রয়োজন হলে চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সহায়তা দেওয়া এবং উপযুক্ত আইনগত কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানো। 'মীমাংসা'র চাপ দিয়ে অভিযোগ গোপন রাখা চলবে না। প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদকে পরিচয় গোপন রেখে সুরক্ষার ব্যবস্থা ও অভিযোগ নিষ্পত্তির সামগ্রিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

এসব কোনো বিলাসী সংস্কার নয়। এগুলো শিশুদের নিরাপদে পড়াশোনা করার ন্যূনতম শর্ত।

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন ও সুরক্ষাসংক্রান্ত সহায়তার জন্য সরকারি চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ রয়েছে। শিশুর বিপদে পরিবারের এবং প্রতিষ্ঠানের বড়দের দায়িত্ব সময়মতো সহায়তা চাওয়া।

আস্থার আসল পরীক্ষা

বাংলাদেশের বহু মাদ্রাসায় নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকরা সৎভাবে কাজ করছেন। সেই সত্যকে অস্বীকার করতে হবে না। একই সঙ্গে এটিও স্বীকার করতে হবে, কিছু প্রতিষ্ঠানে নির্যাতনের অভিযোগের পর যে নীরবতা, প্রতিরোধ বা অস্বচ্ছতা সামনে আসে, তা শিশুর অধিকার ও ধর্মীয় শিক্ষার মর্যাদা—উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।

একটি প্রতিষ্ঠান কত সুন্দর ভবন বানিয়েছে, কত বড় মাহফিল করেছে, কত অর্থ সংগ্রহ করেছে—এসব দিয়ে তার নৈতিক সাফল্য সম্পূর্ণ মাপা যায় না। প্রশ্ন হলো, সেখানে একটি শিশু নিরাপদ কি না; অভিযোগ জানালে সে আশ্রয় পায়, নাকি চুপ থাকার নির্দেশ পায়।

নীরবতারও দায় আছে। কিন্তু দায় নির্ধারণ করতে হবে তথ্য, দায়িত্ব এবং কাজের ভিত্তিতে। কোনো পোশাককে অপরাধী ঘোষণা করে নয়, আবার কোনো পোশাককে বিচার থেকে অব্যাহতি দিয়েও নয়।

শিশুকে বিশ্বাস করা মানে তদন্ত ছাড়াই কাউকে দণ্ড দেওয়া নয়। শিশুকে গুরুত্ব দেওয়া মানে তার কথা শোনা, তাকে নিরাপদ রাখা, অভিযোগকে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো।

এটাই সেই ন্যূনতম নৈতিক পরীক্ষা, যাতে আমাদের সমাজকে উত্তীর্ণ হতে হবে।


তথ্যসূত্র

সম্পাদকীয় নোট: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যক্তিগত বয়ানকে এখানে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত অপরাধের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি। অভিযোগ, তদন্ত ও দণ্ডাদেশের পৃথক অবস্থা এবং শিশুর পরিচয় সুরক্ষার নীতি অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।