এই উদ্যোগ
দেশের মাদ্রাসা, মক্তব ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট শিশু নির্যাতনের প্রকাশিত সংবাদ এক জায়গায় সাজিয়ে রাখা হয়েছে। শিশুদের পরিচয় এখানে প্রকাশ করা হয় না।
অভিযোগ আর দণ্ডাদেশ এক নয়
এই তালিকার ৭৭টি নথির মধ্যে ১৪টি দণ্ডাদেশের খবর, ৫৫টি গ্রেপ্তার বা মামলার খবর, ৬টি ভিডিও বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার খবর এবং ২টি অভিযোগ বা তদন্তের খবর। গ্রেপ্তার কিংবা অভিযোগ মানেই অপরাধ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে, তা নয়। পরবর্তী আপিল বা রায়ের পরিবর্তনও সব ক্ষেত্রে জানা নেই।
কার ছবি দেখানো হয়?
শুধু মূল সংবাদে যাঁর পরিচয় শনাক্ত করা গেছে, তাঁর ছবি দেখানো হয়। আদালতের ভবন, পুলিশের প্রতীকী ছবি কিংবা অন্য ব্যক্তির ছবি অভিযুক্তের ছবি হিসেবে দেখানো হয় না। ছবি না থাকলে মূল প্রতিবেদনের লিংক রয়েছে।
ভুল দেখলে
নাম, ছবি, সূত্র কিংবা মামলার অবস্থার কোনো ভুল থাকলে প্রমাণসহ সংশোধন চাওয়া উচিত। সংশোধিত খবর, আপিল বা খালাসের প্রমাণ পাওয়া গেলে নথি সংশোধন বা সরানো হবে। এই তালিকা সম্পূর্ণ অপরাধের হার নয়; পেশাভিত্তিক ট্যাগ দিয়ে কোনো ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর অপরাধপ্রবণতা নির্ধারণ করা যায় না।
